কাজের সাধারণ সুত্র আজকের আলোচনার বিষয়। কাজের সাধারণ সুত্র [General equation of work] ক্লাসটি পলিটেকনিক [Polytechnic] এর ফিজিক্স-১ (৬৫৯১২), Physics 1 এর, অধ্যায় ৭ এর টপিক। কাজের সাধারণ সুত্র [General equation of work] ক্লাসে কাজ কি, সব প্রকারের বল ও সরণের ক্ষেত্রে কাজের যেই সূত্রটি ব্যাবহার করা যাবে সেই সূত্রটির প্রমাণ ও আলোচনা করা হয়েছে।
এছাড়া এই পাঠটি উচ্চ মাধ্যমিকের প্রথম পত্র পদার্থবিদ্যার অংশ [HSC Physics 1st Paper] হিসেবে পড়ানো হয়। কাজ,শক্তি ও ক্ষমতা [Work, Power, Job] | কর্মদক্ষতা(Efficiency) এস এস সি পদার্থ বিজ্ঞান [SSC Physics] এর ৪র্থ অধ্যায় [ Chapter 4] এর কাজ,শক্তি ও ক্ষমতা অংশও বটে।
কাজের সাধারণ সুত্র
পদার্থবিজ্ঞানে কাজ হলো কোনো বস্তুতে বল প্রয়োগের মাধ্যমে সরণ ঘটানোর প্রক্রিয়ার শক্তি স্থানান্তরের মান। গাণিতিকভাবে, কাজ হলো প্রাসঙ্গিক বস্তুতে প্রয়োগকৃত বলের সরণ ভেক্টরের সমান্তরাল ভেক্টর উপাংশের মানের সাথে সরণের মানের গুণফল।
অন্য কথায়, যেখানে , ও যথাক্রমে কাজ, প্রয়োগকৃত বল ও সরণকে চিহ্নিত করে এবং বল ও সরণ ভেক্টরের মধ্যাকার কোণের মান। উল্লেখ্য সমীকরণে ⋅ হলো ডট প্রোডাক্টের চালক/অপারেটর।

একক
বল × সরণের এককই হবে কাজের একক। বলের একক নিউটন (N) এবং সরণের একক মিটার (m) সুতরাং কাজের একক নিউটন-মিটার (N-m)। এর অপর নাম জুল (J)। অর্থাৎ 1 জুল = 1 নিউটন × 1 মিটার। কোন বস্তুর ওপর 1 নিউটন (N) বল প্রয়োগে বলের দিকে থেকে বিন্দুর এক মিটার (m) সরণ হয় তবে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে 1 জুল (j) বলে। মাত্রাঃ কাজ [W] = [F][s]
কাজের(W) একক =ML2T-2
কাজের তাৎপর্য
দার্থবিজ্ঞানে কোনো বস্তুর গতি বিশ্লেষণে কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাজের ধারণা থেকেই আমরা কাজ -শক্তি উপপাদ্য পাই যা কাজ ও গতিশক্তির সম্পর্ক স্থাপন করে এবং শক্তির সংরক্ষণশীলতার ধারণা দেয়, যা পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক ও অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
কার্য শক্তি উপপাদ্য
কোন বস্তু কর্তৃক কৃতকার্য উহার প্রাথমিক ও অন্তিম গতিশক্তির পার্থক্যের সমান হয়।

