তাপধারণ ক্ষমতা – পদার্থবিজ্ঞান পদার্থ ও তার গতির বিজ্ঞান। বাংলায় “পদার্থবিজ্ঞান” শব্দটি একটি সমাসবদ্ধ পদ। “পদার্থ” ও “বিজ্ঞান” দুটি সংস্কৃত শব্দ নিয়ে এটি গঠিত। এর ইংরেজি পরিভাষা Physics শব্দটি গ্রিক φύσις (ফুঁসিস) অর্থাৎ “প্রকৃতি”, এবং φυσικῆ (ফুঁসিকে) অর্থাৎ “প্রকৃতি সম্পর্কিত জ্ঞান” থেকে এসেছে। পদার্থবিজ্ঞান বলতে বলা যেতে পারে এটা হলো গণিতের বাস্তব রূপ।
তাপধারণ ক্ষমতা ও পানি-সম-এর পার্থক্য
তাপ (Heat) : যে বাহ্যিক ভৌত কারণে (External Physical Cause) কোনো বস্তু উষ্ণ ও শীতলতার অনুভূতি সৃষ্টি করে তাকে তাপ বলে । তাপ এক প্রকার শক্তি। একে অদৃশ্য শক্তিও (Invisible Energy) বলা হয়। তাপের কোনো আকার, আয়তন, ভর, বর্ণ বা গন্ধ নাই, শুধুমাত্র কোনো বস্তুতে প্রয়োগ করলে বস্তুটি উত্তপ্ত হয়ে উঠে এবং অপসারণ করলে তা শীতলতা প্রাপ্ত হয়। অন্যান্য শক্তির ন্যায় তাপ শক্তি অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয় এবং অন্য শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে তাপ শক্তির বিকাশ ঘটে ।

উদাহরণস্বরূপ দেখা যায় যে, বাষ্প ইঞ্জিনে কয়লা দহনের ফলে রাসায়নিক শক্তি তাপ শক্তিতে পরিবর্তিত হয় এবং এই তাপ ইঞ্জিন বয়লারের পানিকে উত্তপ্ত করে বাষ্পে পরিণত করে। এই বাষ্প দ্বারা ইঞ্জিন চালিত হয়। সুতরাং এই ক্ষেত্রে তাপ শক্তি বাহ্যিক শক্তির রূপ পরিগ্রহ করে ইঞ্জিন পরিচালনার কাজ সম্পন্ন করে। যেহেতু তাপ শক্তি পরোক্ষভাবে ইঞ্জিন চালনা কাজ করছে অতএব, তাপ এক প্রকার শক্তি। তাপের মূল উৎস সূর্য ।
তাপমাত্রা (Temperature) ঃ কোনো বস্তুর সংস্পর্শে আসলে গরম বা ঠান্ডা অনুভব হয়। তাপ প্রয়োগ করলে বস্তুটি গরম হয় এবং তাপ হ্রাস করলে ঠান্ডা অনুভব হয়। কাজেই কোনো বস্তুকে স্পর্শ করলে বস্তুটি আমাদের যে পরিমাণ গরম কিংবা ঠান্ডা অনুভূতি জাগায়, তাই-ই বস্তুর উষ্ণতা বা তাপমাত্রা যদি একটি গরম বস্তুর সংস্পর্শে একটি ঠান্ডা বস্তু রাখা হয় তবে দেখা যায় গরম বস্তু আস্তে আস্তে ঠান্ডা হতে থাকে আর ঠান্ডা বস্তু আস্তে আস্তে গরম হতে থাকে।
তাপধারণ ক্ষমতা ও পানি-সম-এর মধ্যে যে সকল পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নে বর্ণনা করা হল :


2 thoughts on “তাপধারণ ক্ষমতা ও পানি-সম-এর পার্থক্য | পদার্থের তাপ ধারণ ক্ষমতা | পদার্থবিজ্ঞান”